বিশেষণের প্রকারভেদ:
বিশেষণ পদকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- নাম বিশেষণ এবং ভাব বিশেষণ।
নাম বিশেষণকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বিশেষ্যের বিশেষণ এবং সর্বনামের বিশেষণ।
ভাব বিশেষণকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায় যথা- ক্রিয়া বিশেষণ, বিশেষণের বিশেষণ, অব্যয়ের বিশেষণ এবং বাক্যের বিশেষণ।
নাম বিশেষণের প্রকারভেদ: নাম বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
• রূপবাচক : কালাে মেঘ, নীল আকাশ, সবুজ মাঠ।
• গুণবাচক : দক্ষ কারিগর, ঠাণ্ডা হাওয়া, চৌকস লোক।
• অবস্থাবাচক : মােটা মেয়ে, রােগা ছেলে, তাজা মাছ, খোঁড়া পা।
• সংখ্যাবাচক : শ টাকা, হাজার লােক, দশ দশা।
• ক্রমবাচক : পঞ্চাশ পৃষ্ঠা, অষ্টম শ্রেণি, প্রথমা কন্যা।
• পরিমাণবাচক : এক কেজি চিনি, তিন কিলােমিটার রাস্তা, বিঘাটেক জমি, দশ শতাংশ ভূমি, হাজার টনী জাহাজ।
• অংশবাচক : ষােল আনা দখল, সিকি পথ, অর্ধেক সম্পত্তি।
• উপাদানবাচক : কাঠের জানালা, পাথরের মূর্তি, বেলে মাটি, মেটে কলসি।
• প্রশ্নবাচক : কেমন অবস্থা? কতদূর পথ? • নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক : এই মেয়ে, ষােলই ডিসেম্বর ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।