• তাড়িত ব্যঞ্জন ধ্বনি: - যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে। - বাড়ি, মৃঢ় প্রভৃতি শব্দের 'ড়', 'ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জনের উদাহরণ।
অন্যদিকে, • কম্পিত ব্যঞ্জন ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে। - চানাচুর, কর শব্দের 'র' কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• পার্শ্বিক ব্যঞ্জন: যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে। যেমন: 'লাল' শব্দের 'ল' পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি।
• নাসিক্য ব্যঞ্জন: যে সব ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধাপায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে। যেমন:মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জন ধ্বনি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।