• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'উৎসর্গ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
• 'উৎসর্গ' কাব্যগ্রন্থ: - ১৯০৩-০৪-এ মোহিতচন্দ্র সেন যখন বিষয় অনুসারে ভাগ করে রবীন্দ্রনাথের কাব্য সম্পাদনা করেছিলেন তখন রবীন্দ্রনাথ প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য একটি প্রবেশক কবিতা রচনা করেন। - সেই কবিতাগুলির সঙ্গে পরে আরও ২৪টি কবিতা যোগ করে ‘উৎসর্গ” কাব্য রচিত হয়। - বলা হয়, রচনাকাল হিসেবে ‘উৎসর্গ’ ‘স্মরণ’ ও ‘শিশু' কাব্যগ্রন্থের সমসাময়িক, ভাবের দিক থেকে নৈবেদ্য' ও 'খেয়া’ কাব্যের মাধ্যমিক । - ‘উৎসর্গে’র কবিতাগুলির অধিকাংশে কবি স্বরূপের পুনরাত্মপ্রকাশ লক্ষ করা যায়।
⇒ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: - তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। - তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। - এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। - রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান। - ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর। - তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন। - ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ---------------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো: - মানসী, - সোনারতরী, - চিত্রা, - কল্পনা, - বলাকা, - পুনশ্চ, - সেঁজুতি, - শেষলেখা, - পূরবী, - চৈতালি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।