প্রাদি সমাস: প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস। প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন, প্র ( প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি।
• অব্যয়ীভাব সমাস: - পূর্বপদে অব্যয়যােগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযােগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ; এছাড়াও উপকূল, উপশহর, উপগ্রহ এসব অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
নিত্য সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। - শব্দের শেষে ‘মাত্র’ ‘অন্তর’ যুক্ত থাকলে সাধারণত নিত্য সমাস হয়। যেমন : গৃহান্তর, গ্রামান্তর
• দ্বন্দ্ব সমাস: দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে। যেমন- 'সোনা-রূপা' সমস্ত পদের ব্যাসবাক্য সোনা ও রূপা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।