ভিটামিন B কমপ্লেক্স:
- পানিতে দ্রবণীয় ১২টি ভিটামিন B রয়েছে।
- ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়।
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক।
থায়ামিন(ভিটামিন বি১):
♦ উৎস:
আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ ইত্যাদি।
♦ অভাবজনিত রোগ:
বেরিবেরি, অরুচি, ওজনহীনতা।
রাইবোফ্ল্যাভিন(ভিটামিন বি২):
♦ উৎস: যকৃৎ, দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি।
♦ অভাবজনিত রোগ:
- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
- এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।
নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড(ভিটামিন বি৩):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, ছোলা, শাক- সবজি।
♦ অভাবজনিত রোগ:
- এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। পেলেগ্রা রোগে ত্বকে রঞ্জক পদার্থ জমতে শুরু হয় এবং সূর্যের আলোয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। | ফলে ত্বকে লালচে দাগ পড়ে এবং ত্বক খস খসে হয়ে যায়।
- এছাড়া জিভে রঞ্জক পদার্থ জমে জিভের এট্রোফি হয়।
পিরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬)
♦ উৎস: চাল, আটা, মাছ, মাংস, শাক- সবজি, ছোলা, ছত্রাক, বৃক্ক, ডিমের কুসুম।
♦ অভাবজনিত রোগ :
অরুচি, বমিভাব, অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।
কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (ভিটামিন বি১২):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, দুধ ইত্যাদি
♦ অভাবজনিত রোগ :
- রক্তশূন্যতা,
- স্নায়বিক অবক্ষয়।