এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস। প্লাজমার বড় উৎস হচ্ছে সূর্য। তাছাড়াও অন্যান্য নক্ষত্রগুলোও প্লাজমার উৎস। প্রায় কয়েক হাজার ডিগ্রী সেলসিয়অস তাপমাত্রায় প্লাজমা অবস্থার উৎপত্তি হয়। গ্যাসের ন্যায় প্লাজমার কোন নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। প্লাজমা কণাগেুলো তড়িৎ আধান বহন করে বলে প্লাজমা তড়িৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
বৈশিষ্ট্যসমূহ- - অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থের এই অবস্থাটি আয়নিত রূপে থাকে। – প্লাজমা অবস্থার মূল উৎস হচ্ছে সূর্য। – সূর্য ব্যতীত মহাবিশ্বের তারা বা নক্ষত্র পদার্থের এই চতুর্থ অবস্থার উৎস হিসেবে কাজ করে। – গ্যাসীয় পদার্থের মতো প্লাজমার নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নেই। – অতি উচ্চ তাপমাত্রায়ও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।