• ধাতু বা ক্রিয়ামূল: - ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায় : (১) ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং (২) ক্রিয়া বিভক্তি। - ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু। যেমন, 'করে'- একতি ক্রিয়াপদ। এতে দুটি অংশ রয়েছে: 'কর্ + এ'; এখানে 'কর' ধাতু এবং 'এ' হচ্ছে বিভক্তি।
- ড. এনামুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ক্রিয়াপদের যে অবিভাজ্য অংশ এর অন্তর্নিহিত মূল ভাবটির দ্যোতনা করে তাকে ধাতু বলে। - ক্রিয়ামূলকে বা ধাতুকে আবার প্রকৃতিও বলা হয়। - ক্রিয়ার মূল বা ধাতু বােঝাতে (√) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
অন্য অপশনে, • প্রত্যয়: - শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে।
• বিভক্তি: - যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।
• সমাস: - সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাঢিক পদের একত্রীকরণ। - অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন- যে চালাক সেই চতুর= চালাক চতুর।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।