ষোড়শ সংশোধনী - এই সংশোধনীর দ্বারা বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের অর্পণ করা হয়।
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতিদের অপসারণ করা হয়ে থাকে।
- এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
- পরে হাইকোর্ট একে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। আপিল বিভাগও ওই রায় বহাল রাখে। তবে, বর্তমানে এই রায়টি রিভিউতে রয়েছে।
অন্যদিকে,
সপ্তদশ সংশোধনী: সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি : সপ্তম ও চতুর্দশ সংশোধনী।
১৯৮৬ সালে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৬৫ বছরে এবং ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনী দ্বারা অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬৭ বছরে উন্নীত করা হয়।
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার কর্তৃক জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের সপ্তম তফসিলে যুক্ত করা হয়।
এছাড়া একই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ম ও ৬ষ্ঠ তফসিল, বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিসমূহ সহ আরো বেশ কিছু সংশোধনী গৃহিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)