অ্যালবিউমিন প্রোটিনের অপর নাম হচ্ছে লিউকোসিন, ল্যাকটালবুমিন।
প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। জীন নির্দিষ্ট অনুক্রমে অনেকগুলি আলফা অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল পলিমার তৈরি করে এবং তা সঠিকভাবে ভাঁজ হয়ে একটি প্রোটিন তৈরি হয়।
ভৌত,রাসায়নিক গুনাবলি এবং দ্রবনীয়তার ভিত্তিতে প্রোটিনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা :- ক) সরল প্রোটিন ৷ খ) যুগ্ম প্রোটিন ৷ গ) উৎপাদিত প্রোটিন ৷
দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে সরল প্রোটিনকে আবার ৭ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা :- ১) অ্যালবিউমিন ২) গ্লোবিউলিন ৩) গ্লুটোলিন ৪) প্রোলামিন ৫) হিস্টোন ৬) প্রোটামিন ৭) স্ক্লোরোপ্রোটিন
যুগ্ম প্রোটিনকেও আবার ৬ ভাগে ভাগ করা যায় ৷ যথা :- ১) নিউক্লিওপ্রোটিন ২) গ্লাইকোপ্রোটিন বা মিউকোপ্রোটিন ৩) লিপোপ্রোটিন ৪) ক্রোমোপ্রোটিন ৫) মেটালোপ্রোটিন ৬) ফসফোপ্রোটিন
প্রোটিনের কাজ সমূহ- -দেহের বৃদ্ধি, কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণ হল প্রোটিনের প্রধান কাজ। -তাপ শক্তি উৎপাদন। -দেহস্থ উৎসেচক, হরমোন ইত্যাদি সৃষ্টি করা। -অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করা হল প্রোটিনের অন্যতম কাজ।
সূত্র- ৭৯ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।