'কড়চা' কথাটির আধুনিক অর্থ দাড়িয়েছে দিনিলিপি বা ডায়েরি। - তবে মুরারি গুপ্ত ও স্বরুপ দামোদারের কল্যানে চৈতন্যজীবনি গ্রন্থ কড়চা বলে অভিহিত হয়েছে। - তাঁরা চৈতন্যজীবন কাহিনি শ্লোকে পরিবেশন করে কড়চা বলে নির্দেশ করেছেন। - সুকুমার সেনের মতে, "কড়চা শব্দটি আসিয়াছে প্রাকৃত 'কটকচ্চ' সংস্কৃত 'কৃতকৃত্য' হইতে। কট শব্দটি প্রাচীন অনুশাসনে 'খসড়া লেখা' (original draft)অর্থেই পাওয়া গিয়াছে। কড়চার অর্থও এই বুৎপত্তির অনুরূপ খসড়া রচনা , স্মারকলিপি, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য।"
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।