আমিষের অভাবজনিত রোগ- খাদ্যে পরিমিত প্রয়োজনীয় জৈব আমিষ বা মিশ্র আমিষ না থাকলে শিশুর দেহে আমিষের অভাবজনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়। দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগলে দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। শিশুদের কোয়াশিয়রকর ও মেরাসমাস রোগ দেখা দেয়। কোয়াশিয়রকর রোগের লক্ষণ- শিশুদের খাওয়ায় অরুচি হয়।- পেশি শীর্ণ ও দুর্বল হতে থাকে, চামড়া এবং চুলের মসৃণতা ও রং নষ্ট হয়ে যায় ৷- ডায়রিয়া রোগ হয়, শরীরে পানি আসে।- পেট বড় হয়। উপযুক্ত চিকিৎসার দ্বারা এ রোগ নিরাময় হলেও দেহে মানসিক স্থবিরতা আসে। - কোয়াশিয়রকর রোগ মারাত্মক হলে শিশুর মৃত্যু হতে পারে। মেরাসমাস রোগের লক্ষণ- আমিষ ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব ঘটে, ফলে দেহের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় ।- শরীর ক্ষীণ হয়ে অস্থিচর্মসার হয়।- চামড়া বা ত্বক খসখসে হয়ে ঝুলে পড়ে। - শরীরের ওজন হ্রাস পায়।-------------------------------------- ভিটামিন A এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে, এ অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া রোগ বলে।- ভিটামিন B কমপ্লেক্স নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। - ভিটামিন B কমপ্লেক্স থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।উৎস: ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই এবং ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই