মূল বিষয়বস্তুতে যান

হাইপোগ্লাইসেমিয়া কিসের অভাবে হয়?

সঠিক উত্তর

রক্তের গ্লুকোজ

সঠিক উত্তর: রক্তের গ্লুকোজ

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বিজ্ঞান ১ নম্বর

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো –

বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগ:
- ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কাছে হাইপো (হাইপোগ্লাসেমিয়া) একটি প্রচলিত শব্দ, বিশেষ করে টাইপ-১ বা ইনসুলিন-নির্ভরশীল রোগীদের ক্ষেত্রে।
- মূলত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ করে ইনসুলিন নিতে হয় এমন রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দেয়।
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে
- স্বাভাবিক মাত্রা হলো খালি পেটে ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটারে এবং খাবারের ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটারে থাকা উচিত।
- রক্তের শর্করা ঘন ঘন কমে গেলে বা বেশি হলে দেহ ও মনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়।
- খুব বেশি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।
- গ্লুকোজ হচ্ছে আমাদের জীবনীশক্তি বা ফুয়েল, যা প্রতিটি কোষে শক্তি সরবরাহ করে।
- এই গ্লুকোজ বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গেলে এক এক করে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম কমে যেতে থাকে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের একমাত্র জ্বালানি হচ্ছে গ্লুকোজ।
- সে কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে রোগী অচেতন হয়ে পড়েন, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের কারণ:
- ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা বা ওষুধের মাত্রা বেশি এবং খাবার কম হলে, অর্থাৎ খাবার ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে।
- সময় না মেনে দেরিতে খাবার খেলে।
- দীর্ঘক্ষণ কঠোর ব্যায়াম করলে।
- অসুস্থতার পর খাবার খেতে না পারলে বা খাবার কম খেলে।
- অত্যধিক মদ্যপান করলে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের লক্ষণ:
- অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা,
- ঘাম হওয়া,
- মেজাজ রুক্ষ হওয়া,
- শরীর কাঁপতে থাকা,
- দুর্বল বোধ করা,
- মাথা ব্যথা হওয়া,
- চোখে ঝাপসা দেখা,
- ঘুম ঘুম ভাব হওয়া,
- খুব বেশি হলে অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের চিকিৎসা:
- হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রতিক্রিয়া সামান্য হলে তৎক্ষণাৎ তাকে চিনিযুক্ত তরল খাবার দিতে হবে।
যেমন-ফলের রস, দুধ, শরবত ইত্যাদি।
- আর যদি মনে হয় হাইপো হতে পারে তাহলে বরাদ্দকৃত খাবারটি তখন খেয়ে ফেলতে হবে।
- যদি রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় তাহলে শিরায় গ্লুকোজ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে অথবা যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের প্রতিরোধ:
- সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার তিন ঘণ্টা বিরতি দিয়ে খাবার খেতে হবে।
- খাবার গ্রহণের সঙ্গে ওষুধ অথবা ইনসুলিনের সমন্বয় থাকতে হবে।
- খাবারের অনেক আগে ইনসুলিন দেওয়া যাবে না অথবা ইনসুলিন নিয়ে বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না।
- খাবারের মধ্যে থাকতে হবে জটিল শর্করা যেমন-লাল মোটা চাল, ভুসিযুক্ত আটার রুটি, তন্দুর রুটি, ভুট্টা, খেজুর ইত্যাদি।
- যে ধরনের ব্যায়াম করলে খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়, সে ধরনের ব্যায়াম না করাই ভালো।
- যদি দেখা যায় বরাদ্দকৃত খাবার গ্রহণের পরও হাইপোগ্লাইসেমিয়া হচ্ছে, তাহলে পথ্যবিদের শরণাপন্ন হয়ে আবার খাবারের তালিকা ঠিক করে নিতে হবে।

উৎস:
দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল ও যুগান্তর পত্রিকা।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. ক্যালসিয়াম
  2. রক্তের গ্লুকোজ সঠিক
  3. ভিটামিন-ই
  4. ইনসুলিন

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বিজ্ঞান
শ্রেণী
বিসিএস, শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন - প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ
মার্ক
1.00

বিজ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো –

  2. 2

    বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?

  3. 3

    মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?

  4. 4

    সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?

  5. 5

    হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল