ধাতব-অধাতব খনিজ: - পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। - এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। - খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: - যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। যেমন- • লোহা (Fe), • তামা (Cu), • সোনা (Au), • রূপা (Ag)।
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: - যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। যেমন- • কোয়ার্টজ (Quartz), • মাইকা (Mica), • গ্রাফাইট, • জিপসাম, • কয়লা, • খনিজ লবণ। - আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। - মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। - ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। - কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিশ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। - চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘর-বাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।