মেধাবী
Toggle menu

মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সমুদ্রজয়ের রায় হয় কবে?

সঠিক উত্তর
১৪ মার্চ, ২০১২

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়।

বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।

বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (UNCLOS) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল, 
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, 
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

১৪ মার্চ, ২০১২ সঠিক
৭ জুলাই, ২০১২
১৪ মার্চ, ২০১৪
৭ জুলাই, ২০১৪

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড