“Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan” — উক্তিটি কে প্রদান করেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
“Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan” — উক্তিটি কে প্রদান করেন : মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ:
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯ মার্চ ১৯৪৮ পূর্ববাংলা সফরে আসেন।
- ভাষার প্রশ্নে তিনি স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করেন।
- ২১ মার্চ ১৯৪৮ ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় তিনি ঘোষণা করেন যে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হবে উর্দু, অন্য কোনো ভাষা নয়।
- এই ঘোষণার প্রতিবাদে জনসভার কিছু অংশ থেকে মৃদু ‘নো’, ‘নো’ ধ্বনি শোনা যায়।
- ২৪ মার্চ ১৯৪৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি পুনরায় ঘোষণা করেন যে, ( “Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan”) পাকিস্তানের সরকারি ভাষা অবশ্যই উর্দু হবে।
- এ বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থিত গ্রাজুয়েটরা ‘না’, ‘না’ ধ্বনি উচ্চারণ করেন।
- ২৪ মার্চ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের একটি প্রতিনিধিদল জিন্নাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি পেশ করে।
- স্মারকলিপিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- জিন্নাহর ঘোষণায় পূর্ববাংলার মানুষের মনে পাকিস্তান সরকারের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়।
- ফলে ভাষা আন্দোলন ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- তবে জিন্নাহর জনপ্রিয়তা ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধাবোধের কারণে ভাষা আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।
- এমনকি তমাদ্দুন মজলিশ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে।
- তবুও ভাষার প্রশ্নে ছাত্রদের মনে ক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
- ছাত্ররা ১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১১ মার্চ ভাষা দিবস পালন করতেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন