- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- ১৯৩৮ সালে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন
প্রবোধচন্দ্র বাগচী।
- তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর চর্যাপদ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়।
- মূলত তখনই জানা যায় চর্যাপদ ছিল মোট ৫১ টি; অর্থাৎ সাড়ে তিনটি হারানো পদের কথা জানা যায়।
[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া]