ভূগোল MCQ
ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে কোন স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি। ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা কত?
সঠিক উত্তর
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর: ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।
প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)
প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)
এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। ( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।
প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)
প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)
এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। ( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা সঠিক
- ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
- ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
- ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমা
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- ভূগোল
- মার্ক
- 1.00