বাংলা সাহিত্য MCQ
মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
সঠিক উত্তর
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
সঠিক উত্তর: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কে মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত বলা হয়।
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত।
- তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত ও প্রথম নাগরিক কবিও বলা হয়।
- তিনি হাওড়া জেলার পেন্ড্রো গ্রামে বাস করতেন।
- তাঁর পিতা নরেন্দ্রনারায়ণ রায় (মুখার্জি) জমিদার ছিলেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি।
- তিনি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
- এছাড়াও তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম- সত্য পীরের পাঁচালি।
• তাঁর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ উক্তি হল:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে- উক্তিটি তিনি ঈশ্বরী পাটনী’র( কাব্যের চরিত্র) মুখ দিয়ে একথা বলিয়েছেন।
- এখানে হিন্দি শব্দ পাটনী এর অর্থ-খেয়ামাঝি।
অন্যদিকে,
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। - কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত।
- তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত ও প্রথম নাগরিক কবিও বলা হয়।
- তিনি হাওড়া জেলার পেন্ড্রো গ্রামে বাস করতেন।
- তাঁর পিতা নরেন্দ্রনারায়ণ রায় (মুখার্জি) জমিদার ছিলেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি।
- তিনি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন।
- এছাড়াও তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম- সত্য পীরের পাঁচালি।
• তাঁর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ উক্তি হল:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে- উক্তিটি তিনি ঈশ্বরী পাটনী’র( কাব্যের চরিত্র) মুখ দিয়ে একথা বলিয়েছেন।
- এখানে হিন্দি শব্দ পাটনী এর অর্থ-খেয়ামাঝি।
অন্যদিকে,
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। - কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর সঠিক
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলা সাহিত্য
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00