- ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে একটি বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। - পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেছিল। - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে প্রায় ১৪টি কূপ খনন করা হয়েছে। - ৬৪ বর্গকিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটির ভূগঠন গম্বুজাকৃতির যেখানে মোট অনুমিত মজুদ গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৪.১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। - এর মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুদ ২.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। - মজুদ গ্যাসের হিসাবমতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। - তিতাস গ্যাস বর্তমানে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। - বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।