বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)WHO এর পূর্ণরূপ World Health Organization বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ। এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা সদস্য দেশ সমূহের জনস্বাস্থের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত World Health Assembly -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে। এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।
⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি অন্যান্য সংস্থা ও বিভাগ, এনজিও এবং জনসাধারনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যে কোন রোগ-বালাই, নতুন রোগের সংক্রমণ বা জরুরি স্বাস্থ্যগত যেকোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবিত যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংস্থা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
এক নজরে WHO
প্রতিষ্ঠাকাল: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮ সাল
সদস্য সংখ্যা: ১৯৪টি পূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশ ও ২টি সহযোগী সদস্য দেশ
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে
প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে
World Health Assemblyসদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
⤇ The World Health Assembly - এই সংস্থার সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী অঙ্গ এবং Executive Board এর প্রধান পরিচালনাকারী অঙ্গ।
⤇ ১৯৭২ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
⤇ WHO এর প্রতিষ্ঠার দিন ৭ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
⤇ বর্তমান প্রধান (মহাপরিচাল: Dr Tedros Adhanom Ghebreyesus (১ জুলাই, ২০১৭ - বর্তমান)। তিনি ইথিওপিয়ার নাগরিক।
উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।