• হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট ‘হিমু’ চরিত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে ‘ময়ূরাক্ষী’ উপন্যাস দিয়ে।
- ১৯৯০ সালে মে মাসে বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে চরিত্রটি পাঠকদের, বিশেষ করে তরুণ সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- এই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী একে একে প্রকাশিত হতে থাকে- দরজার ওপাশে, হিমু, পারাপার, এবং হিমু, হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম , হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হিমুর রূপালী রাত্রি, একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা, তোমাদের এই নগরে, সে আসে ধীরে, চলে যায় বসন্তের দিন, হিমু মামা প্রভৃতি।
--------------------------
⇒ হুমায়ূন আহমেদ :
• হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) - কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ।
ছাত্রজীবনে লেখা 'নন্দিত নরকে' শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
হুমায়ুন আহমেদ রচিত স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- ফেরা,
- নক্ষত্রের রাত,
- প্রিয়তমেষু,
- বাসর,
- এলেবেলে (১ম পর্ব-২য় পর্ব),
- সাজঘর,
- ছায়াসঙ্গী,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।