• মহাভারত পৃথিবীর চারটি জাত মহাকাব্যের একটি। • এর প্রধান রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব। মূল গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত। • বাংলা ভাষায় মহাভারত প্রথম অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
• বাংলা ভাষায় মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক হলেন কাশীরাম দাস। তিনি গ্রন্থ রচনা শেষ করে যেতে পারেন নি। - মহাভারতের আদি, সভা, বন ও বিরাট পর্ব রচনার পর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। - কথিত আছে কবির অপমাপ্ত কাব্য সমাপ্ত করেন কবির পুত্র, ভ্রাতুষ্পুত্র ও শিষ্য স্থানীয় অনেকে। - ভ্রাতুষ্পুত্র নন্দরাম রচনা করেন দ্রোণপর্ব; শল্য ও নরীপর্ব ভৃগুরাম দাসের রচনা এবং অশ্বমেধ পর্ব রচনা করেন দ্বিজ রঘুনাথ দাস।
• কবীন্দ্র পরমেশ্বর ও পরাগলী মহাভারত: - বাংলা ভাষায় মহাভারত কাব্যের প্রথম অনুবাদক কবি ছিলেন ‘পরাগলী মহাভারতের' লেখক কবীন্দ্র পরমেশ্বর। - গৌড়েশ্বর সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সেনাপতি লস্কর পরাগল খানের উৎসাহে কবি এ কাব্য রচনা করেছিলেন বলে কাব্যটি পরাগলী মহাভারত নামে খ্যাত। - পরাগল খাঁ মহাভারতের যুদ্ধকাহিনি শুনে মুগ্ধ হন এবং তা সংক্ষিপ্ত আকারে একদিনে শোনার উপযোগী করে রচনা করার জন্য সভাকবি কবীন্দ্র পরমেশ্বরকে নির্দেশ দেন। - মহাভারত মুখ্যত রাজবংশের ইতিহাস বলে শাসকদের কাছে তা উপভোগ্য হওয়ার অধিকারী ছিল। - পরাগল খাঁর এই নির্দেশে কবি খুব সংক্ষেপে মহাভারত অনুবাদ করেন।
• তাছাড়া: - কৃত্তিবাস ওঝা রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।