বিপরীতার্থক শব্দ বিভিন্নভাবে গঠিত হতে পারে-
⇒ উপসর্গযােগে: শব্দের পূর্বে বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হতে পারে। সাধারণত অ, অন, অনা, অপ, অব, দুর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে প্রায়ই না-বাচক বা নিষেধবােধক অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন : কাজ- অকাজ, ইচ্ছা- অনিচ্ছা, আগ্রহ- অনাগ্রহ, যশ- অপযশ, রােগ- নীরােগ, পথ- বিপথ প্রভৃতি।
⇒ ভিন্ন শব্দের মাধ্যমে: মূল শব্দের সঙ্গে মিল না রেখে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ দ্বারা বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হতে পারে।
যেমন : অগ্র- পশ্চাৎ, আয়-ব্যয়, উষ্ণ- শীতল, জ্যোৎস্না- অন্ধকার, স্বর্গ-নরক, হাল্কা- ভারি প্রভৃতি।
⇒ শব্দের পরে কিছু যুক্ত হয়ে: মূল শব্দের পরে কোনাে শব্দ বা শব্দাংশ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হতে পারে। সাধারণত কোনাে শব্দের শেষে হারা, হীন, বিহীন, শূন্য প্রভৃতি যুক্ত হয়ে মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন : চরিত্রবান- চরিত্রহীন, প্রতিভাশালী প্রতিভাহীন, সমৃদ্ধিশালী- সমৃদ্ধিহীন, রােগ- রােগহীন, বন্ধন- বন্ধনহারা প্রভৃতি।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।