মেধাবী
Toggle menu

T2ভাইরাসের দেহকে কয়টি অংশে ভাগ করা হয়?

সঠিক উত্তর
দুইটি

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের গঠন
- প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যে সকল ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে T2 ব্যাকটেরিওফায সবচেয়ে পরিচিত ভাইরাস। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়। 
- তাই এর নাম ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ভক্ষণকারী। 
- এটি সর্বাধিক পরিচিত ব্যাঙাচি আকৃতির একটি DNA ভাইরাস। 
- বিজ্ঞানী দ্য হেরেলি ১৯১৭ সালে ভাইরাসকে ব্যাকটেরিওফায বা ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস বা ফায ভাইরাস নাম দেন। 
- T2 ভাইরাসের দেহকে দুটি প্রধান অংশে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। মাথা ও 
২। লেজ। 

মাথা
- মাথাটি স্ফীত ও ষড়ভূজাকৃতির এবং প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত। 
- এর দৈর্ঘ্য ৯৩-১০০ nm (ন্যানোমিটার) এবং প্রস্থ ৬৫ nm। 
- মাথার স্ফীত অংশের ভেতরে রিং আকৃতির দ্বিসূত্রক একটি DNA অণু প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে। 
- ৬০,০০০ জোড়া নিউক্লিয়োটাইড দিয়ে DNA গঠিত। 
- এতে প্রায় ১৫০টি জিন থাকে। 
- মাথার অধিকাংশ স্থানই ফাঁপা বলে মনে হয়। 

লেজ
- মাথার পরবর্তী লম্বা সরু অংশটিকে বলা হয় লেজ। 
- লেজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫-১১০ nm এবং ব্যাস প্রায় ১৫-২৫ nm। 
- লেজের উপরিভাগে সুস্পষ্ট চাকতির ন্যায় একটি কলার আছে এবং লেজের প্রধান অংশটি একটি ফাঁপা নলের ন্যায়। 
- এর অভ্যন্তরে কোন DNA থাকে না। 
- লেজের নিচের দিকে ১টি বেসপ্লেট, কাঁটার মত স্পাইক এবং ছয়টি স্পর্শক তন্ত্র থাকে। 
- লেজ, কলার, বেসপ্লেট, স্পাইক এবং স্পর্শক তন্ত্র সবই প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- এতে লাইসোজাইম নামক এনজাইম থাকে যা পোষক কোষের আবরণ বিনষ্ট করতে পারে। 
- স্পর্শক তন্ত্রর সাহায্যে ভাইরাস পোষকের দেহে অবস্থান করে এবং কাঁটা দিয়ে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

ক) দুইটি
খ) তিনটি
গ) পাঁচটি
ঘ) চারটি

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বিজ্ঞান
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড