মূল বিষয়বস্তুতে যান

'বেতের ফলের মতো'' বা ''পাখির নীড়ের মতো'' উপমাগুলো কে নির্মাণ করেছেন?

সঠিক উত্তর

জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: জীবনানন্দ দাশ

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলা সাহিত্য ১ নম্বর

মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?

বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

জীবনানন্দ দাশ  'বেতের ফলের মতো' বা 'পাখির নীড়ের মতো' উপমাগুলো নির্মাণ করেছেন। 

• জীবনানন্দ দাশের উপমামণ্ডিত কবিতা: 
- জীবনানন্দ দাশের উপমামণ্ডিত একটি বিখ্যাত কবিতা হলো ‘বনলতা সেন’। 
- জীবনানন্দ তার কবিতায় ব্যবহার করলেন অসাধারণ সব উপমা, সে উপমার ভাষা যারা বুঝতে পারতেন; তারা তার কবিতায় বুদ হয়ে থাকতেন।
- তিনি লিখলেন—সোনার ডিমের মতো ফাল্গুনের চাঁদ, পাখির নীড়ের মতো চোখ, বেতের ফলের মতো ব্যথিত নীলাভ দু চোখ, বেবিলনের রানির ঘাড়ের উপর উজ্জ্বল চামড়ার শালের মতো জ্বলজ্বল করছিল বিশাল আকাশ, শিশিরের মতো সন্ধ্যা—এরকম আরও অসাধারণ তাক লাগানো মুগ্ধ হয়ে থাকার মতো শত শত উপমা।
- বনলতা সেন কবিতায় জীবনানন্দ ব্যবহার করলেন পাখির নীড়ের মতো চোখ। চোখের ভাষা দ্বারা মানুষ অনেক কিছু বুঝে নেয়।
- বনলতা সেনের পাখির নীড়ের মতো চোখ দ্বারা আশ্রয় বোঝানো হয়েছে। যে চোখে আছে আশ্রয়ের শপথ আর ভালোবাসা।

• জীবনানন্দ দাশ 'শঙ্খমালা' কবিতায় বেতের ফলের মতো  উপমা নির্মাণ করেছেন। 
----------------------------------------------------------- 
বনলতা সেন- কবিতা, 
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে , ‘এতোদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মত চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

----------------------------
শঙ্খমালা- কবিতা,
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,
বলিল, তোমারে চাই: বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুঁজেছি নক্ষত্রে আমি— কুয়াশার পাখ্‌নায়—
সন্ধ্যার নদীর জলে নামে যে-আলোক
জোনাকির দেহ হ‌তে— খুঁজেছি তোমাকে সেইখানে—
ধূসর পেঁচার মতো ডানা মেলে অঘ্রাণের অন্ধকারে
ধানসিড়ি বেয়ে-বেয়ে
সোনার সিঁড়ির মতো ধানে আর ধানে
তোমারে খুঁজেছি আমি নির্জন পেঁচার মতো প্রাণে।
দেখিলাম দেহ তার বিমর্ষ পাখির রঙে ভরা:
সন্ধ্যার আঁধারে ভিজে শিরীষের ডালে যেই পাখি দেয় ধরা—
বাঁকা চাঁদ থাকে যার মাথার উপর,
শিং-এর মতন বাঁকা নীল চাঁদ শোনে যার স্বর।

উৎস: শঙ্খমালা- কবিতা, বনলতা সেন- কবিতা।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. সুকুমার রায়
  2. জীবনানন্দ দাশ সঠিক
  3. জসীমউদ্‌দীন
  4. হুমায়ুন আহমেদ

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলা সাহিত্য বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
  2. 2

    কত সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?

  3. 3

    মুনীর চৌধুরির ‘কবর’ নাটকের পেক্ষাপট কি?

  4. 4

    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কী?

  5. 5

    বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল