→ বর্ণিত সবগুলো।
• RFID:- RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
- এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
- ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।
• প্রযুক্তির উপাদান:- ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
- রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।
• কার্যপ্রণালী:- রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
- ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
- রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।
• ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:- গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
-
সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
-
স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।-
স্টক ম্যানেজমেন্ট,- পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।
• নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:- RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
- শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
- তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
• উদাহরণস্বরূপ:
- NEXUS, SENTRI, FAST.
- ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।
উৎস: US Homeland Security and Britannica. [
Link]