এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
'আমি বীরাঙ্গণা বলছি' লেখিকা নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি বই। এই বইয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে ধর্ষিত হওয়া সাত জন নারীর করুন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
- ১৯৯৪ এবং ১৯৯৭ সালে আমি বীরাঙ্গণা বলছি'র দুইটি খণ্ড প্রকাশ করেন।এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন সময়ে বীরাঙ্গণাদের দুঃখ এবং যুদ্ধের পরবর্তী সুখ-দুঃখের কথা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে সুন্দরভাবে।
- শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী নীলিমা ইব্রাহিম ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর রচিত উপন্যাস
- বিশ শতকের মেয়ে ১৯৫৮
- এক পথ দুই বাক ১৯৫৮
- কেয়াবন সঞ্চারিনী ১৯৫৮
- বহ্নিবলয় ১৯৮৫
তাঁর রচিত প্রবন্ধ
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি
- শরৎ প্রতিভা
- বাংলার কবি মধুসূদন
তাঁর রচিত নাটক
- দুইয়ে দুইয়ে চার ১৯৬৪
- যে অরণ্যে আলো নেই(মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক) ১৯৭৪
- রোদজ্বলা বিকেল ১৯৭৪
- সূর্যাস্তের পর
- নব মেঘদূত
- রমনা পার্কে
-একাত্তরের অগ্নিকন্যা তুষার আব্দুল্লাহ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক রচনা।
-নীল দংশন সৈয়দ শাসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া ।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড