• খেয়া:
- খেয়া (১৯০৬) পঞ্চান্নটি কবিতার সংকলন।
- এ সংকলনের কবিতাগুলির মধ্যে ক্লান্তি ও বিষাদের সুর প্রাধান্য পেয়েছে।
- গ্রন্থটি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা হয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো : পথের শেষ, শেষ খেয়া, ঘাটেরপথ, বিদায়, দীঘি, আগমন, বৈশাখে, জাগরণ ইত্যাদি।
- ‘খেয়া’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলিতে জীবনের ব্যথাবেদনার ও বিচিত্র অনুভবের মধ্যে চরম শ্রেয়োলাভের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত।
- এ গ্রন্থের বেশ কিছু কবিতায় আধ্যাত্মিকতা আছে।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- চৈতালী,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।