"সে তিন দিন পথ চলল।” এখানে 'তিন দিন' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
"সে তিন দিন পথ চলল।” এখানে 'তিন দিন' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
"সে তিন দিন পথ চলল।” এখানে 'তিন দিন' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
উত্তর: কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
<h2>ব্যাখ্যা</h2>এখন আমরা এই বাক্যের বিশ্লেষণ করে দেখতে পারি কেন 'তিন দিন' এর ক্ষেত্রে 'কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি' প্রযোজ্য:
কর্ম কারক: কারকগুলির মধ্যে কর্ম কারক ওই কারক যা ক্রিয়ার দ্বারা কিছু প্রাপ্তি বা প্রভাবিত হয়। এখানে, 'পথ চলল' ক্রিয়ার মাধ্যমে 'তিন দিন' সময়টিকে নির্দেশ করা হচ্ছে। অর্থাৎ, 'তিন দিন' হচ্ছে যে সময়কাল ধরে 'সে' পথ চলেছে, এবং সেই অর্থে, 'তিন দিন' ক্রিয়ার উপর প্রভাবিত হচ্ছে।
শূন্য বিভক্তি: বাংলায় বিভক্তি বলতে বুঝায় যে শব্দের শেষে যুক্ত হয় ও বিশেষ কারককে নির্দেশ করে। শূন্য বিভক্তি বলতে যা মনে করা হয় তা হল বিভক্তির কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হওয়া। এখানে, 'তিন দিন' শব্দে কোনো বিভক্তি প্রত্যয় যুক্ত করা হয়নি, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
চলুন অন্যান্য বিকল্পগুলি কেন সঠিক নয় তা দেখে নিই:
অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি: অপাদান কারক সে কারক যা দূরত্ব বা বিচ্ছিন্নতা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, 'কলকাতা থেকে ঢাকা' বাক্যে 'কলকাতা' শব্দটি অপাদান কারক হবে। কিন্তু আমাদের উদাহরণে 'তিন দিন' কোন স্থান নির্দেশ করছে না, বরং এটি সময় নির্দেশ করছে। তাই এটি ভুল।
করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি: করণ কারক বলতে বোঝায় যে কারক দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, 'কলম দিয়ে লিখেছে' বাক্যে 'কলম' করণ কারক। কিন্তু এখানে 'তিন দিন' ক্রিয়ার ক্রিয়া বা উপায় নির্দেশ করছে না, এটি সময়কাল নির্দেশ করছে। সুতরাং এটাও ভুল।
অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি: অধিকরণ কারক পরিবেশ বা স্থানের নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, 'গৃহে আছে' বাক্যে 'গৃহ' অধিকরণ কারক। অথচ 'তিন দিন' কোনো স্থান নয়, এটি সময়কাল। তাই এটাও ভুল।
এইভাবে, 'তিন দিন' 'কর্ম কারক' হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি 'কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি'।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড