এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
আলোচিত কবিতা অংশটুকু মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে।
মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ নারীদের নতুন করে চিনতে শিখিয়েছে। তাঁদের তেজস্বিতা, নির্ভীকতা নতুনরূপে প্রতিভাত মাইকেলের রচনায়।
- সীতার প্রতি সহমর্মিতা, সমবেদনার প্রাবল্যও বুঝি শুরু হল এখন থেকেই। রামের চরিত্র বিশ্লেষণও তীক্ষ্ণ হল আরো।
- তাই মেঘনাদবধ কাব্যের দ্বিতীয় কথাটি হল নারীর জয়জয়কার। প্রকারান্তরে নারীমুক্তিরও সোপান বলা যায় বৈকি!
- উর্মিলার উক্তি, মন্দোদরীর ক্ষোভ এক নতুন মাত্রা যোগ করে কাব্যটিতে।
‘কি কহিলি বাসন্তি? পর্বতগৃহ ছাড়ি,
বাহিরায় যবে নদী সিন্ধুর উদ্দেশ্যে,
কার হেন সাধ্য যে সে রোধে তার গতি?
দানবনন্দিনী আমি, রক্ষঃকুলবধূ
রাবণ শ্বশুর মম, মেঘনাদ স্বামী
আমি কি ডরাই, সখি, ভিখারী রাঘবে?’
—প্রমীলার এই উক্তি বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস হয়ে আছে।
কিংবা দূতী নৃমুন্ডমালিনীর মাধ্যমে যখন সংবাদ প্রেরণ করেন—
‘রমণী শতেক মোরা,যারে চাহ
যুঝিবে সে একাকিনী, ধনুর্বাণ ধরো
ইচ্ছা যদি, নরবর, নহে চর্ম অসি,
কিংবা গদা, মল্লযুদ্ধে সদা মোরা রত’—
উৎস: বাংলা কবিতা ও মেঘনাদবদ কাব্য (৩য় সর্গ)
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড