লোহার মধ্যে কার্বনের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে লোহাকে তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।যথা- ঢালাই লোহা (cast iron), পেটা লোহা (wrought iron) ও ইস্পাত (steel). ইস্পাত বা স্টীল এর গুণাগুণ: - কার্বনের পরিমাণ: ০.২৫-১.৫%।- পান দেয়া: পান দেয়া যায়।- গঠনাকৃতি : স্ফটিকাকার।- নমনীয়তা ও ঘাতসহতা উভয় ধর্ম বিদ্যমান তবে পেটা লোহার থেকে কম।- চুম্বক ধর্ম: চুম্বককে পরিণত করা যায়।- গলনাংক: ১৩০০-১৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস.।- কাঠিন্য: কঠিন, ভঙ্গুরও নয় আবার নরমও নয়।ব্যবহার: কোনো দেশ কতটা উন্নত তা সে দেশের ইস্পাতের ব্যবহার দেখে আন্দাজ করা যায়। এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার হলো-- গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করতে।- শিল্পক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি নির্মাণে।- যানবাহন, যেমন- গাড়ি, প্লেন, জাহাজ, রেললাইন, ইত্যাদি নির্মাণে।- ডাক্তারী ও ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে।উল্লেখ্য, ঢালাই লোহায় কার্বনের পরিমাণ ২.৫% ও পেটা লোহায় কার্বনের পরিমাণ ০.১২-০.২৫%। উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।