১৯৭১ সালের কোন তারিখে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী জনসাধারণকে বঙ্গবন্ধু ১৪টি নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১১ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১১ মার্চ, ১৯৭১
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বাতিলের ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের ২-২৫ মার্চ পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন চলে।
- এই সময় পূর্ব পাকিস্তান মূলত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাতেই চলতো।
- কোন রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে আন্দোলনরত জনতাকে বঙ্গবন্ধু ১৪টি নির্দেশনা দেন।
তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ ১১ মার্চ এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে ১৪টি নির্দেশ জারি করেন।
- মূলত সরকারি অফিস, ব্যাংক–বিমা ও অন্যান্য সংস্থা কীভাবে চলবে এবং কী কী বিধিনিষেধ মেনে চলবে—বিবৃতিতে সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশের ভেতরে যেকোনো অঙ্কের অর্থ জমা হিসেবে গ্রহণ ও আন্তব্যাংক ক্লিয়ারেন্সসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কাজ করতে পারবে।
- ধান, পাটবীজ, সার ও কীটনাশক সংগ্রহ, পরিবহন ও বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
- কৃষি খামার এবং চাল গবেষণা কেন্দ্রের কাজ চালু থাকবে।
- বন্দর কর্তৃপক্ষের কাজ চলবে।
- সেনাবাহিনীর চলাচল অথবা জনসাধারণের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন সামগ্রী খালাসের ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করা যাবে না।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের (ইপিআইডিসি) সমস্ত কলকারখানায় কাজ চলবে এবং উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালাতে হবে।
- ঘূর্ণিঝড়দুর্গত এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজসহ সব সাহায্য, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কাজ চলবে।
- পল্লি অঞ্চলে উন্নয়নকাজ অব্যাহত থাকবে।
- সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীর মজুরি ও বেতন পাওনা হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এ জন্য হিসাব নিরীক্ষণ অফিসে আংশিক কাজ চলবে।
- জেলখানার ওয়ার্ডে ও অফিসে কাজ চলবে।
- বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিযুক্ত শাখাগুলো চালু থাকবে।
উৎসঃ একাত্তরের দিনগুলি, প্রথম আলো রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন