কাস্টিং ভোট (Casting Vote): - কখনো কখনো সংসদে কোনো বিষয়ে হ্যাঁ ও না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।- এ ধরনের সমসংখ্যক ভোটের ফলে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়, তা নিরসনে স্পীকার তাঁর ভোট প্রয়োগ করেন।- স্পীকারের এই ভোটকে 'নির্ণায়ক ভোট' বা 'কাস্টিং ভোট' বলা হয়।- সাধারণত স্পীকার ভোট দেন না।- তবে যখন ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দেয়, তখনই কেবল তিনি তাঁর নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।- অর্থাৎ, কোনো প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমানসংখ্যক ভোট পড়লে স্পীকার সংসদের সভাপতি হিসেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ভোট দেন।- এ ছাড়া অন্য কোনো পরিস্থিতিতে স্পীকারের ভোটাধিকার নেই।• সংবিধানিক বিধান- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে:- "উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।"উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।