এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- কবি, শিক্ষাবিদ জসীমউদ্দীন এর জন্ম ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে । তাঁর পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। পিতা আনসারউদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।
- ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (১৯২১), রাজেন্দ্র কলেজ থেকে আই.এ (১৯২৪) ও বি.এ (১৯২৯) এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তিনি এম.এ (১৯৩১) পাস করেন।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা, শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ
- রাখালী (১৯২৭)
- নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
- বালুচর (১৯৩০)
- ধানখেত (১৯৩৩)
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪)
- হাসু (১৯৩৮)
- রুপবতী (১৯৪৬)
- মাটির কান্না (১৯৫১)
- এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)
- সখিনা (১৯৫৯)
- সুচয়নী (১৯৬১)
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২)
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩)
- হলুদ বরণী (১৯৬৬)
- জলে লেখন (১৯৬৯)
- পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯)
- কাফনের মিছিল (১৯৭৮)
- মহরম
- দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭)
নাটক
- পদ্মাপার (১৯৫০)
- বেদের মেয়ে (১৯৫১)
- মধুমালা (১৯৫১)
- পল্লীবধূ (১৯৫৬)
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯)
উপন্যাস
- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)
আত্মকথা
- যাদের দেখেছি (১৯৫১)
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১)
- জীবন কথা ( ১৯৬৪)
- স্মৃতিপট (১৯৬৪)
- স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)
ভ্রমণ কাহিনী
- চলে মুসাফির (১৯৫২)
- হলদে পরির দেশে ( ১৯৬৭)
- যে দেশে মানুষ বড় (১৯৬৮)
- জার্মানীর শহরে বন্দরে (১৯৭৫)
- ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান। এ গ্রন্থে জারি গানের মোট ২৩টি পালা সংকলিত হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।
উৎস: সাহিত্যপাঠ একাদশ দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড