অ্যাটোসেকেন্ড:
- এক অ্যাটোসেকেন্ড হল এক সেকেন্ডের 1×10-18 এর সমান।
- এটি আন্তর্জাতিক সিস্টেমে সময়ের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একটি একক।
- ১ সেকেন্ডেকে ১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ দিয়ে ভাগ করলে যে ক্ষুদ্র সময়টা পাওয়া যাবে (১০-১৮ সেকেন্ড) তার সমান।
- পরমাণুর ভেতরের জগতে কোনো কোনো ঘটনা ঘটে অ্যাটোসেকেন্ডের দশভাগের একভাগ বা তার চেয়েও কম সময়ে। সেসব ক্ষুদ্রতম সময়ের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আলোক স্পন্দনের এই অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অর্থাৎ, পরমাণুর ভেতরকার কার্যকলাপ সম্পর্কে একটা স্পষ্ট চিত্র তৈরি করতে পারা যাবে।
- অ্যাটোসেকেন্ড পদার্থবিদ্যা সবচেয়ে বড় সুফল নিয়ে আসবে ইলেকট্রনিক জগতে, যেখানে সবকিছু চলে ইলেকট্রোডাইনামিকস বা ইলেকট্রন গতিবিদ্যার সাহায্যে।
- তুলনা করার জন্য, এক অ্যাটোসেকেন্ড = এক সেকেন্ড ধরা হলে, এক সেকেন্ড = প্রায় 31.71 বিলিয়ন বছর।
- মার্কিন বিজ্ঞানী পিয়েরে অগাস্তিনি, হাঙ্গেরিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেঙ্ক ক্রাউজ ও ফরাসি বিজ্ঞানী অ্যান লুইলিয়ে এই তিন বিজ্ঞানী ইলেকট্রনের আলোক শোষণের ঘটনাকে অ্যাটোসেকেন্ড স্কেলে পরিমাপ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন।
- ২০২৩ সালে এই তিন বিজ্ঞানী পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
উল্লেখ্য যে,
- এক মিলিসেকেন্ড = 10-3 = 1/1,000
- এক মাইক্রোসেকেন্ড = 10-6 = 1/1,000,000
- এক ন্যানোসেকেন্ড = 10-9 = 1/1,000,000,000
- এক পিকোসেকেন্ড = 10-12 = 1/1,000,000,000,000
- এক ফেমটোসেকেন্ড = 10-15 = 1/1,000,000,000,000,000
- এক অ্যাটোসেকেন্ড = 10-18 = 1/1,000,000,000,000,000,000
উৎস: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা (৩ অক্টোবর, ২০২৩)।