বিরাম চিহ্ন: মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল: • কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন। • সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়। • দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড। • প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড। • বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড। • কোলন - এক সেকেন্ড। • ড্যাস - এক সেকেন্ড। • কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড। • হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই। • ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই। • একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে। • যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে। • ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই। • ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।