• নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত এবং সামাজিক ব্যাপার।- নৈতিকতা মানুষের মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।- আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের কল্যাণ সাধনই নৈতিকতার লক্ষ্য। - যে রাষ্ট্রের মানুষের নৈতিক মান সুউচ্চ, সেদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সহজ। - কেননা সেদেশের নাগরিকগণ নিজেরাই অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকেন, ঘুষ দুর্নীতিকে ঘৃণা করেন।- নীতিবান মানুষ ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায় ইত্যাদির মানদণ্ডে নিজেরাই চলার চেষ্টা করে।- নৈতিকতার পিছনে সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃত্বের সমর্থন বা কর্তৃত্ব থাকে না।- কেননা নৈতিকতা বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। - নৈতিকতা বিরোধী ব্যক্তিকে রাষ্ট্র কোনো প্রকার দৈহিক শাস্তি প্রদান করে না। - বিবেকের দংশনই নৈতিকতার বড় রক্ষাকবচ।সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসসর মোঃ মোজ্জামেল হক।