মেধাবী
Toggle menu

Nemo tenetur seipsum accusare'- এই নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?

সঠিক উত্তর
৩৫(৪)

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

⇒ 'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই লাতিন নীতির বাংলা অর্থ- 'নিজেকে অভিযুক্ত করতে কোনও ব্যক্তি বাধ্য নয়'
-অর্থাৎ কোনও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক সাক্ষ্য বা তথ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে না। এই নীতি ব্যক্তিদের তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা থেকে রক্ষা করে।
- সারকথা হল আত্মাভিযোগের বিরুদ্ধে আইনগত নিরাপত্তা, যা নিশ্চিত করে যে ব্যক্তিদের তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে এমন প্রমাণ দিতে বাধ্য করা হবে না।
⇒এটি হচ্ছে Doctrine of Self-Incrimination:
Self-incrimination is a legal principle under which a person cannot be compelled to provide information or testify against themselves in a criminal case. In various jurisdictions, including the US and India, the right against self-incrimination is enshrined as a constitutional or legal protection. The doctrine is based upon the following legal maxim:Nemo teneteur prodre accussare seipsum – It states that a man cannot be compelled to state any self-incriminating statement.
Self-Incrimination as a Fundamental Right
The makers of the Constitution have borrowed several features from other constitutions of the world and the model for Fundamental Rights in India is adopted from the Constitution of the US.
 
⇒ Doctrine of Self-Incrimination হল একটি আইনগত সিদ্ধান্ত যা বলে, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তির মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং তাকে নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে বাধ্য না করা।
 
অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না। এই অধিকার সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় এই নির্দেশিকা প্রয়োগের ফলে ব্যক্তির অন্তঃকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। এতে অনৈতিক উপায়ে ব্যক্তিকে তার নিজের বিপক্ষে প্রমাণ দেয়ার জন্য বাধ্য করা যায় না।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare' বা 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।
 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

৩৩
৩২
৩৫(৪) সঠিক
৩৫(২)

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
আইন
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড