বাংলা সাহিত্য MCQ
জসীমউদ্দীন রচিত নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যটি কতটি সর্গে বর্ণিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর
চোদ্দটি
সঠিক উত্তর: চোদ্দটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• নক্সী কাঁথার মাঠ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ।
- রচয়িতা কবি জসীমউদ্দীন রচনাকাল ১৯২৯।
- নক্সী কাঁথার মাঠ একটি শিল্পসফল কাহিনি কাব্য।
- কাব্যটি চোদ্দটি সর্গে বর্ণিত।
- কাব্যিকভাবে সবকটি দৃশ্য মিলে এতে একটি সামগ্রিক জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে অসাধারণ শৈল্পিকতার সঙ্গে।
- এর প্রতিটি দৃশ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ, বাস্তবধর্মী ও কবিত্বময়।
- রূপা ও সাজুর এ কাহিনিকে কবি ‘করুণ গাথা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কারণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে দুটি প্রাণ প্রেমের জন্যে প্রায়শ্চিত্ত করেছে।
===============
• জসীমউদ্দীন:
- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কবি তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের সহজ স্বাভাবিক রূপটি তুলে ধরেছেন।
- পল্লির মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র তাঁর কবিতায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।
- পল্লির মানুষের আশা-স্বপ্ন- আনন্দ-বেদনা ও বিরহ- মিলনের এমন আবেগ-মধুর চিত্র আর কোনো কবির কাব্যে খুঁজে পাওয়া ভার ।
- এ কারণে তিনি ‘পল্লিকবি' নামে খ্যাত কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কিছুকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
• জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য কাব্যের মধ্যে রয়েছে -
→ নক্সী- কাঁথার মাঠ,
→ সোজনবাদিয়ার ঘাট,
→ রাখালী,
→ বালুচর,
→ হাসু,
→ এক পয়সার বাঁশি,
→ মাটির কান্না ইত্যাদি।
- তাঁর নক্সী-কাঁথার মাঠ কাব্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- চলে মুসাফির তাঁর ভ্রমণকাহিনী।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
- এছাড়া সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ কবি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
- নক্সী কাঁথার মাঠ একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ।
- রচয়িতা কবি জসীমউদ্দীন রচনাকাল ১৯২৯।
- নক্সী কাঁথার মাঠ একটি শিল্পসফল কাহিনি কাব্য।
- কাব্যটি চোদ্দটি সর্গে বর্ণিত।
- কাব্যিকভাবে সবকটি দৃশ্য মিলে এতে একটি সামগ্রিক জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে অসাধারণ শৈল্পিকতার সঙ্গে।
- এর প্রতিটি দৃশ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ, বাস্তবধর্মী ও কবিত্বময়।
- রূপা ও সাজুর এ কাহিনিকে কবি ‘করুণ গাথা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কারণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে দুটি প্রাণ প্রেমের জন্যে প্রায়শ্চিত্ত করেছে।
===============
• জসীমউদ্দীন:
- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কবি তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের সহজ স্বাভাবিক রূপটি তুলে ধরেছেন।
- পল্লির মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র তাঁর কবিতায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।
- পল্লির মানুষের আশা-স্বপ্ন- আনন্দ-বেদনা ও বিরহ- মিলনের এমন আবেগ-মধুর চিত্র আর কোনো কবির কাব্যে খুঁজে পাওয়া ভার ।
- এ কারণে তিনি ‘পল্লিকবি' নামে খ্যাত কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কিছুকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
• জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য কাব্যের মধ্যে রয়েছে -
→ নক্সী- কাঁথার মাঠ,
→ সোজনবাদিয়ার ঘাট,
→ রাখালী,
→ বালুচর,
→ হাসু,
→ এক পয়সার বাঁশি,
→ মাটির কান্না ইত্যাদি।
- তাঁর নক্সী-কাঁথার মাঠ কাব্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- চলে মুসাফির তাঁর ভ্রমণকাহিনী।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
- এছাড়া সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ কবি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- চোদ্দটি সঠিক
- পনেরটি
- তেরটি
- বারটি
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলা সাহিত্য
- শ্রেণী
- বিসিএস
- মার্ক
- 1.00