• ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে সংযুক্ত আকারে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য ণ’ যুক্ত হয়। যেমন-কণ্টক, ঘণ্টা, অকুষ্ঠ, কাণ্ড, খণ্ড ইত্যাদি।
• ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য় ব হং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে পৃ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ)।
• উত্তর, পর, পার, রবীন্দ্র, চন্দ্র, নার শব্দের পরে ‘অয়ন/আয়ন প্রত্যয় হলে দন্ত্য ন পাল্টে মূর্ধন্য ণ হয়।
যেমন- উত্তর+অয়ন = উত্তরায়ণ, পর+অয়ন = পরায়ণ, রবীন্দ্র+অয়ন = রবীন্দ্রায়ণ, চন্দ্র+অয়ন = চন্দ্রায়ণ, নর + অয়ন = নারায়ণ ইত্যাদি।
• কতগুলাে শব্দে স্বভাবতই ণ হয়- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা ইত্যাদি।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।