এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক। যথা- আকাক্সক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
যেমন: ‘চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে’ বলে শেষ করলে আরও শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে। বাক্যটি হবে ‘চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে’।
আসত্তি : বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।
যেমন: কাল বিতরণী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত। বাক্যটি যথাযথ হয়নি কারণ, এখানে আসত্তির অভাব রয়েছে। বাক্যটি হবে ‘কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে’।
যোগ্যতা : বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি হয়-বাক্যটি যোগ্যতাসম্পন্ন। কিন্তু ‘বর্ষার রোদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে’ বললে বাক্যটি যোগ্যতা হারাবে। কারণ, রোদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে না।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড