- মারমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসবের নাম - সাংগ্রাই।- এটি মূলত মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব। মারমা ও সাংগ্রাই উৎসব:- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। - এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধানের পদবী- কারবারি; মৌজা পর্যায়ের প্রধান ⎯ হেডম্যান; সার্কেল প্রধান হলেন ⎯ রাজা।- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।- সাংগ্রাই শব্দটি এসেছে ‘সাক্রাই’ থেকে; এর মানে ‘সংক্রান্তি’।- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।- এ উৎসবের মূল আয়োজন - ‘পানিখেলা’ বা ‘জলোৎসব’। নৌকা বা বড় পাত্রে পানি রেখে একপক্ষ আরেক পক্ষকে পানি ছিটিয়ে দেয়। এছাড়াও, বৈসাবি:পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা - ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,- মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - সাংগ্রাই,- চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বিজু।- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়। উল্লেখ্য: - রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়। উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।