খাগড়াছড়ির আদিবাসী রাজা:- খাগড়াছড়ির আদিবাসী রাজাকে বলা হয় মং রাজা।- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বর্তমান মং সার্কেল চিফ বা রাজা হচ্ছেন সাচিং প্রু চৌধুরী। - খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রবেশদ্বার মানিকছড়ি উপজেলা ঐতিহাসিক মং সার্কেলের চীফ মং রাজার পুরাতন আদিনিবাস।উল্লেখ্য,- ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে পার্বত্য চট্টগ্রামকে চট্টগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - পরবর্তীকালে ইংরেজ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে শাসন ও রাজস্ব সংগ্রহের সুবিধার্থে ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দে ১লা সেপ্টেম্বর মং, চাকমা ও বোমাং নামে তিন সার্কেলে বিভক্ত করে এবং প্রতিটি সার্কেলের চিফ নিযুক্ত করা হয়। - ১লা মে ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে ব্রিটিশ সরকার Chittagong Hill Tracts Regulation 1900 Act নামে আরও একটি আইন জারী করে।- উক্ত আইন মূলে ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলা শাসিত হয়ে আসছে।- বর্তমানে রাঙামাটি জেলার বৃহত্তর অংশ ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ নিয়ে চাকমা সার্কেল, খাগড়াছড়ি জেলার বৃহত্তর অংশ নিয়ে মং সার্কেল এবং বান্দরবান জেলার বৃহত্তর অংশ ও রাঙামাটি জেলার কিছু অংশ নিয়ে বোমাং সার্কেল রয়েছে। - পার্বত্য অঞ্চলের এই তিন সার্কেলপ্রধান স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে রাজা হিসেবেই বিবেচিত। - যদিও সরকারিভাবে তাঁদের সার্কেল চিফ বলা হয়।- তবে তাঁরা স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে খাজনা আদায় করেন এবং সেই খাজনার অংশ যায় সরকারি খাতে।উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।