মূল বিষয়বস্তুতে যান

জমিদারি প্রথা কবে বিলুপ্ত হয়?

সঠিক উত্তর

১৯৫০ সালে

সঠিক উত্তর: ১৯৫০ সালে

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ নম্বর

কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০:
- এই আইনে পূর্ববাংলায় জমিতে খাজনা সংগ্রাহক ও অন্যান্য স্বার্থধারীদের তালুক অধিগ্রহণের বিধান, তালুকে প্রজাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অন্যান্য বিষয়ের আইনগত সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করার বিধান রয়েছে।
- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫।
- বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান সরকারকে নির্ধারিত অঙ্কের রাজস্ব নিয়মিত পরিশোধের শর্তে জমিদারদেরকে জমির মালিক করে দেয় আর তার সঙ্গে তারা তাদের অধীন বন্দোবস্তধারীদের কাছ থেকে খাজনা আদায়েরও অধিকারী হয়।
- শেষোক্ত পক্ষ আবার জমিতে তাদের অধস্তন স্বার্থধারী সৃষ্টি করার অধিকারী হয়।
- ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান একশ্রেণির জমিমালিক অভিজাত গোষ্ঠীর জন্ম দেয়। এছাড়া বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন ঊর্ধ্বতন ভূমি মালিকদের সঙ্গে প্রজা বা রায়তের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অধিকার ও দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করে।
- সরকার ভূমি রাজস্ব কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় আনে এবং বাস্তবায়নের জন্য ১৯৪৭ সালের ১০ এপ্রিল ব্যবস্থাপক পরিষদে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন উত্থাপন করে।
- দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
- তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫০ সালে সঠিক
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

  2. 2

    কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

  3. 3

    দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

  4. 4

    চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

  5. 5

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল