মেধাবী
Toggle menu

জসীমউদ্দীনকে বলা হয়-

সঠিক উত্তর
পল্লীকবি

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

- জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয় । অনেকে মনে করেন, তিনি ‘আধুনিক কবি’।
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা,  শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি।

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলি হলো:
-  নক্সী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩),
- রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫),
- মাটির কান্না (১৯৫১),
- সুচয়নী (১৯৬১),
- পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯),
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৭২),
- পদ্মাপার (১৯৫০),
- বেদের মেয়ে (১৯৫১),
- পল্লীবধূ (১৯৫৬),
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯),
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় (১৯৬১),
-জার্মানীর শহরে বন্দরে (১৯৭৫),
- স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮),
- বাঙালীর হাসির গল্প,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

ক) মধুরতার কবি
খ) পল্লীকবি
গ) ভোরের পাখি
ঘ) বিদ্রোহ কবি

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলা সাহিত্য
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড