এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• IPv6 একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল সংস্করণ যা IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করতে তৈরি করা হয়েছে। IPv4 ঠিকানার মাত্রা ৩২ বিট, যা ভবিষ্যতে ঠিকানার ঘাটতির সমস্যা তৈরি করেছিল। IPv6 ঠিকানার মাপ ১২৮ বিট, যা প্রচুর সংখ্যক অনন্য ঠিকানা প্রদান করতে সক্ষম। এই বড় ঠিকানা স্পেস ইন্টারনেটে আরও বেশি ডিভাইস সংযোগের সুবিধা দেয় এবং আইওটি (IoT) ডিভাইসের বিস্তৃত ব্যবহারের জন্যও উপযুক্ত। এছাড়া, IPv6 নিরাপত্তা এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে উন্নত ফিচার সমর্থন করে। তাই IPv6 ১২৮ বিটের ঠিকানা ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ করে তোলে।
সঠিক উত্তর: ক) ১২৮ বিট।
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.
• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷
2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড