• IPv6 (Internet Protocol version 6) হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের একটি আধুনিক সংস্করণ যা IP ঠিকানা সংকট দূর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। IPv4-এ মাত্র ৩২-বিট ঠিকানা ব্যবহৃত হতো, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ডিভাইস ঠিকানা পেত। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারের বিস্তৃতি ও স্মার্ট ডিভাইসের বৃদ্ধি বিবেচনায়, IPv6 চালু করা হয়েছে যেখানে প্রতিটি IP অ্যাড্রেসে ১২৮ বিট থাকে। এর ফলে প্রায় ৩.৪ x ১০৩৮ টি ইউনিক অ্যাড্রেস জেনারেট করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতে বিশ্বের সব ডিভাইসের জন্য যথেষ্ট। IPv6 অ্যাড্রেস হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে লেখা হয় এবং কলন (:) দিয়ে বিভক্ত থাকে। IPv6 এর এই ১২৮ বিট কাঠামো নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, গতি এবং সংযোগের উন্নয়ন ঘটায়।• আইপি অ্যাড্রেস:- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:1. IPV4: - এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷2. IPV6:- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।