বাংলাদেশ কত সালে Interpol-এর সদস্য পদ লাভ করে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১৯৭৬ সালে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- বাংলাদেশ সদস্য পদ লাভ করে- ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে।
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (২০২১-২০২৫)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (ব্রাজিল)।
⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
= বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।
উৎস: Interpolsion ওয়েবসাইট।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন