• গঠন এবং উদ্দেশ্য: - জি.এস.বি হলো বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর, যা ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর গঠিত হয়।
• খনন ক্ষেত্রগুলি: - ১৯৮৫ সালে: দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া এলাকায় খনি পাওয়া যা্ - ১৯৮৯ সালে: রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে খনি পাওয়া যায়, - ১৯৯৫ সালে: দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে (পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র)।
• প্রকল্পের মাধ্যমে অবস্থান উত্তোলন: - বড়পুকুরিয়া কয়লা অববাহিকায় ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে জি.এস.বি ৭টি উত্তোলন কূপ (drill holes) খনন করে। - জি.এস.বি এ কয়লাক্ষেত্রের মজুত, গুরুত্ব ও বিস্তার নির্ণয় করতেও সমর্থ হয়।
• কৃষ্টি অনুমান: - বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লা ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে এবং এই ক্ষেত্রগুলিতে মোট মজুদ কয়লার পরিমাণ আনুমানিক ৩৩০০ মিলিয়ন টন।
• বিসিএমসিএল এবং খনি ইজারা: - খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর সাথে সহযোগিতায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এর অনুকূলে ১৯৯৪ সালে খনি ইজারা মঞ্জুর করা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।