বিস্তারিত ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়- ১৯০৭ সালে।
----------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত নিদর্শন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র সংরক্ষিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
- চর্যাপদকে একই সঙ্গে বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা-সংকলন এবং গানের সংকলন বলা হয়.
- কারণ এতে পদ আকারে গীতিকবিতা রচিত হয়েছে।
- চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি উদ্ধার করেন।
- পরে তিনি পুঁথিগুলোর সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
- ঐতিহাসিকভাবে চর্যাপদের বিকাশ ঘটে পাল বংশের শাসনামলে।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- এবং তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের চর্যাগীতি রচিত হয়।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর Origin and Development of Bengali Language (ODBL) গ্রন্থে ধ্বনি, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা আদি বাংলা।
- এর ফলে চর্যাপদকে বাংলা ভাষার প্রথম লিখিত রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা দেওয়া হয়।
- ছন্দ ও ভাষার দিক থেকে চর্যাপদের পদগুলো প্রধানত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।
- আধুনিক ছন্দবিচারে চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অন্তর্গত।
- চর্যাপদের ভাষা ‘সান্ধ্যভাষা’ বা আলো-আঁধারী ভাষা নামে পরিচিত।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
সকল অপশন
রেফারেন্স মাত্র
- ১৯০৪ সালে
- ১৯০৬ সালে
- ১৯০৭ সালে সঠিক
- ১৯০৯ সালে
প্রশ্ন তথ্য
- বিষয়
- বাংলা সাহিত্য
- শ্রেণী
- বিসিএস, শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন - প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ
- মার্ক
- 1.00